সাগরবাণীহাটে দাঁড়িয়েই যেভাবে চিনবেন ইনজেকশন দিয়ে মোটাতা’জা করা গরু - সাগরবাণী হাটে দাঁড়িয়েই যেভাবে চিনবেন ইনজেকশন দিয়ে মোটাতা’জা করা গরু - সাগরবাণী

হাটে দাঁড়িয়েই যেভাবে চিনবেন ইনজেকশন দিয়ে মোটাতা’জা করা গরু

প্রকাশ: ২০২০-০৭-২৪ ১৫:০৮:১৬ || আপডেট: ২০২০-০৭-২৪ ১৫:০৮:১৬

সাগরবাণী ডেস্ক▪ কৃত্রিমভাবে মোটা করা গরুর মাংস মানবদে’হের জন্য অ’ত্যন্ত ক্ষ’তিকর। এ কারণে এসব পশু কোরবানি দেওয়া উচিত নয়। তবে বেশিরভাগ সাধারণ গৃহস্থ কোনটি প্রাকৃতিক আর কোনটি কৃত্রিমভাবে মোটাতা’জা করা হয়েছে, তা বুঝতে পারেন না। তবে নিচের বিষয়গুলো খেয়াল করলেই এই পার্থক্য ধ’রা সম্ভব-

১. আঙুলের চা’প : কৃত্রিম উপায়ে মোটাতা’জা করা গরুর গা ‘পানি নামা’ রো’গীর শ’রীরের মতো ফুলে থাকে। এই গরুর গায়ে আঙুল দিয়ে চা’প দিলে ওই স্থানের মাংস দেবে যায় এবং আগের অব’স্থায় ফি’রে আসতে অনেক সময় লাগে। কিন্তু প্রাকৃতিকভাবে মোটা করা পশুর গায়ে চা’প দিলে মাংস খুব বেশি দেবে যাবে না এবং যতটুকু দেবে যাবে, তা স’ঙ্গে স’ঙ্গে আগের অব’স্থায় চলে আসবে।

২. ঘন শ্বা’সপ্রশ্বা’স: কৃত্রিম উপায়ে মোটাতা’জা করা গরু দ্রুত শ্বা’সপ্রশ্বা’স গ্রহণ করে। একটু হাঁটলেই হাঁপায়। খুবই ক্লান্ত দেখায়।

৩. রানের মাংস: ইনজেকশন দেওয়া গরুর রানের মাংস স্বা’ভাবিক গরুর রানের মাংসের চেয়ে অনেক নরম থাকে।

৪. লালা বা ফেনা: যেসব গরুর মুখে কম লালা বা ফেনা থাকে, সেই গরু কেনার চেষ্টা করুন। এগুলো কৃত্রিম উপায়ে মোটা করা পশু নয়।

৫. খুব ক্লান্ত দেখায়: সু’স্থ গরু একটু চটপটে থাকে। কৃত্রিম উপায়ে মোটাতা’জা করা গরু শ’রীরে পানি জমা’র কারণে নড়াচড়া কম করে।

৬. হাড় বেরিয়ে পড়া: যেসব গরুর চেহারা স্বা’ভাবিক উষ্কখুষ্ক এবং চামড়ার ওপর দিয়ে হাড় বেরিয়ে থাকে, সেগুলো সু’স্থ ও প্রাকৃতিকভাবে মোটা করা গরুর লক্ষণ। বেশি চকচক করা গরু বা ছাগলের ক্ষেত্রে ঝুঁ’কি বেশি থাকে।

৭. নাকের ওপরের অংশ ভেজা: সু’স্থ গরুর নাকের ওপরের অংশ ভেজা বা বিন্দু বিন্দু ঘাম জমা থাকবে। অন্যদিকে অ’সু’স্থ গরুর নাক থাকবে শুকনা।

৮. তাপমাত্রা: গরুর শ’রীরে হাত দিয়ে তাপমাত্রা স্বা’ভাবিকের চেয়ে বেশি মনে হলে বুঝতে হবে গরুটি অ’সু’স্থ।

ওপরের এই বিষয়গুলো লক্ষ রাখলে কৃত্রিম উপায়ে মোটাতা’জা করা গরু এড়ানো সম্ভব হবে। স্টেরয়েড দিয়ে মোটাতা’জা করা গবাদিপশুর মাংস অ’ত্যন্ত বিপজ্জনক।

এ জাতীয় ওষুধ অ’তিরি’ক্ত মাত্রায় দিলে গরুর কি’ডনি ও যকৃৎ অকা’র্যকর হয়ে যায়। এতে শ’রীর থেকে পানি বের হতে পারে না। এতে পানি সরাসরি গরুর মাংসে চলে যায়। এতে গরুকে মোটা, তুলতুলে ও নাদুসনুদুস দেখায়।

এ ব্যাপারে চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি ও অ্যানিমেল সায়েন্সেস বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ও বিভাগীয় প্রধান (ডেইরি ও পোলট্রিবিজ্ঞান) ড. এ কে এম হু’মায়ুন কবির বলছেন, মোটাতা’জাকরণের এসব ওষুধের কা’র্যকারিতা ন’ষ্ট হয় না।

গরুর দে’হের মাংসে রয়ে যায়। এসব মাংস যখন মানুষ খায়, তখন ওই সব ওষুধের প্র’তিক্রিয়া মানুষের শ’রীরেও দেখা দেয়।

স্টেরয়েড ওষুধ মানবদে’হের কি’ডনি, ফু’সফুস, লিভা’র, হৃৎপিণ্ডকে মা’রাত্মকভাবে ক্ষ’তিগ্রস্ত করে। মানবদে’হের র’ক্তচা’প বাড়িয়ে দেয়। ফলে উচ্চ র’ক্তচা’প, ডায়াবেটিস, অনিদ্রা, অস্থিরতাসহ নানা রো’গের সৃষ্টি করে।

এতে মানুষের শ’রীরে পানি জমে যাওয়া, রো’গপ্র’তিরো’ধ ক্ষ’মতা কমে যাওয়া, মূত্রনালি ও যকৃতের বিভিন্ন রকম স’মস্যা দেখা দিতে পারে।

তিনি আরও বলেন, হরমোন দিয়ে মোটাতা’জা করা গরুর মাংস খেলে মানবদে’হে এসব হরমোন মা’রাত্মক প্র’তিক্রিয়ার সৃষ্টি করে।

মানবদে’হে প্রতিনিয়ত প্রকৃতিগতভাবে হরমোন তৈরি হচ্ছে। ক্ষ’তিকর হরমোন পরোক্ষভাবে শ’রীরে ঢুকলে এই হরমোনগুলো মানবশ’রীরে নানা রো’গ সৃষ্টি ক’রতে পারে। বিশেষ করে অল্পবয়সী বা ছোট শি’শুদের মা’রাত্মক ক্ষ’তি হয়।

এসব হরমোন বা স্টেরয়েড শি’শুদের মস্তিষ্ক ও যৌ’নাঙ্গ গঠনে অ’সুবিধা সৃষ্টি ক’রতে পারে। বয়স্কদের ক্ষেত্রে মাংসের মাধ্যমে গ্রহণ করা স্টেরয়েড নানা অ’সুখ ডেকে আনতে পারে।

এসব ক্ষ’তিকর ওষুধ মানবশ’রীরে জমা হয়ে টিউমা’র, ক্যানসার, কি’ডনি ন’ষ্ট করার মতো মা’রাত্মক রো’গ সৃষ্টি করে। বিশেষ করে নারীদের গর্ভধারণের ক্ষ’মতা ন’ষ্ট হয়ে যেতে পারে, যোগ করেন ড. এ কে এম হু’মায়ুন কবির

Visits: 22

ট্যাগ :

নামাজের সময় সূচী

  • ফজর
  • যোহর
  • আছর
  • মাগরিব
  • এশা
  • সূর্যোদয়
  • ৫:০৯
  • ১২:১৪
  • ১৬:২২
  • ১৮:০৫
  • ১৯:১৮
  • ৬:২০